রহজান আহম্মেদ (রঞ্জু), বরিশাল
বরিশাল জেলার গৌরনদীতে জমির মালিক বলরাম ও বোন ভগবতির কাছ থেকে প্রায় ১৫ বছর
আগে জমি পাট্রা দলিল হিসাবে রাখা হয়। পরে ১৯৫৫ সালে ৫০০ টাকার মূল্য দিয়ে সাব কবলা
মূলে এক একর ২৯ শতাংশ জেল নং- ৭১ এস এ- খতিয়ান নং ২৩১ দাগ নং-
৪০১,৪০২,৪০৩,৪০৫,৩২২,৩৯৯ বি এস- খতিয়ান নং ৫২০ দাগ নং- ৮৮৭, ৮৮৮, ৮৯৯, ৯০০
বাড়িঘর পুকুর সহ দক্ষিণ পালরদী মৌজার এক একার ২৯ শতাংশ জমির চার আনা দাতা
হিসেবে গোনজোর আলী ফকির এবং আব্দুল হাকিম হাওলাদার জমি ক্রয় করেন। প্রায় ১৫
বছর ধরে বরিশাল জজকোটে দেওয়ানী মামলা নং ৬১/২০১৭ মামলাটি রায় হওয়ার পরে
প্রতিপক্ষ ঢাকা হাইকোর্টে আপিল ডিভিশনে মামলার আপত্তি জানিয়ে আপিল করেন। মোঃ
রেজাউল ফকির সাংবাদিকদের জানান,আমাদেরকে বিভিন্ন সময় মিথ্যা মামলা হামলা দিয়ে
হয়রানি করে আসছেন ভূমিধস্য বাদল ফকির এবং ২০১৬ সালে আমাদের বিরুদ্ধে তৎকালীন
সময় গৌরনদী মডেল থানায় অভিযোগ করে হারানি করেছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার জানান।
আমাদের জমিতে পুনরায় ঘর নির্মাণ করতে গেলে মোঃ বাদল ফকির গৌরনদী মডেল থানায়
গিয়ে একটি অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আসলে তাদের সামনে
ভূমিদস্য বাদল ফকিরসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর ,অতর্কিত হামলা চালায় এই হামলায়
গুরুতর আহত হয় রেজাউল ফকিরসহ সহ দুই থেকে তিনজন গুরুতর আহত হয় তাদেরকে স্থায়ী
লোকজন এসে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই- বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
পাঠানো হয়। গত (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০.৩০ মিনিটের সময় দক্ষিণ পালরদী জামে
মসজিদের উত্তর পাশে হামলার ঘটনা ঘটে। অতর্কিত হামলার ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায়
একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে যাহার নাম্বার ১৫/২৪ পুলিশের সামনে বসে এলাকার চিহ্নিত
সন্ত্রাসীরা অর্তকিত ভাবে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে রেজাউল ও সালাউদ্দিন
ফকিরকে। হাসপাতালে শযাশয়ী রেজাউল ফকির ও আলাউদ্দিন ফকির অভিযোগ করে
বলেন,দক্ষিণ পালরদী গ্রামের জমি সংক্রান্ত মামলা চলমান আমাদের জমিতে প্রায় সময়
এসে পুকুরে এবং বাড়িতে গরুর খামারের ঘরে সংস্কারের কাজ করলে বাদল ফকির এলাকার
সন্ত্রাসীদের নিয়ে জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। ওই জমিতে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু
করলে তিনি বাদল ফকির থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে বাদল ফকিরকে
বলে আপনাদের কাছে বিজ্ঞ আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন
আমাদের কাছে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই তখন পুলিশ বলে আপনারা এখানে এসেছেন কেন
আপনারা চলে যান। এ সময় পুলিশের সামনে বসেই বিএনপি নেতা বাদল ফকির, যুবদল নেতা
সোহেল ফকির, আরিফ হোসেন ও সোহান ফকির অর্তকিত ভাবে হামলা চালায়। পুলিশ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ব্যর্থ হয়। হামলায় রেজাউল ফকির সালাউদ্দিন ফকির গুরুতর আহত
হয়। অতর্কিত হামলার বিষয় জানতে চাইলে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
মোঃ আনোয়ার হোসেন তিনি বলেন, দক্ষিণ পালরদী হামলার ঘটনায় মাসুদা বেগম একটি
মামলার দায়ের করেছে। একজন আসামিকে বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।






