বাঁশখালী প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল ইউনিয়নের ২ নং ওয়াডের মোহাব্বত আলী পাড়ার মৃত আব্দুল মজিদের তিন সন্তান মোঃ জাকারিয়া, মোঃ আব্দুল হক ও আব্দুর রহমান তারা এক বাপের ৩ সন্তান। তাদের বাবার ওয়ারিশ সূত্রে ঘর আর উঠান ২গন্ডা জায়গা থেকে তাদের বড় ভাই জাকারিয়া তার পাপ্য জায়গার অংশটা তার দুই ছোট ভাইদের বিক্রি করে পরিবার নিয়ে উপজেলা সদরে বাড়ি করে থাকেন। এখন পুরো দুই গন্ডার মালিক মোঃ আব্দুল হক আর আব্দুর রহমান। আব্দুর রহমান তার প্রাপ্য অংশে পুরোটা ঘর করেছে। আব্দুল হকের প্রাপ্য অংশে ঘর করতে গেলে বাধা দেন তার ছোট ভাই আব্দুর রহমান। তার ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ করলে চেয়ারম্যান মাওলানা মোরশেদুল ইসলাম ফারুকী উভয় পক্ষ থেকে টাকা জমা নিয়ে সার্ভেয়ার দিয়ে পুরো জায়গা জরিপ করে আব্দুল হকের জায়গা থেকে আব্দুর রহমানের পরিবারের চলাচলের জন্য কিছু জায়গা রেখে বাকি অংশে খুটি গেড়ে দেন। তার খুটি অনুযায়ী ঘরের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরে আবার আদালতের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন যেহেতু ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখেন আব্দুল হকের পরিবার। এছাড়া আব্দুল হকের ঘর বরাবর ক্যামেরা বসিয়ে তার ঘরের মহিলাদের ভিডিও ধারণ করে আব্দুর রহমানের ছেলে প্রবাসে বসে বসে তার ব্যবহৃত ফেসবুক MD Rahmat Ullha আইডিতে পোস্ট করে ইজ্জতহানি করার পায়তারা করে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মোরশেদুল ইসলাম ফারুকীর স্পষ্ট বক্তব্য যে, আব্দুল হক একেবারে নির্দোষ। আব্দুর রহমান আর্থিক সচ্ছল হওয়ায় গায়ের জুরে বারবার বাধা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি এটাও বলেন আব্দুর রহমান যেভাবে তার পুরো জায়গায় ঘর করেছে আব্দুল হকও তার প্রাপ্য পুরো জায়গায় ঘর করতে পারবে। তারপরেও মানবিক খাতিরে ভাইয়ের চলাচলের সুবিধার্তে কিছু জায়গা ছেড়ে দেন আব্দুল হক।








