বিএডিসির মহাব্যবস্থাপক (পাট বীজ) এবং মানসম্মত বীজ আলু উৎপাদন, সংরক্ষণ ও কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্পের পিডি মো. আবির হোসেনের বিরুদ্ধেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডিপিপি অনুযায়ী একজন তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তা পিডি হওয়ার কথা থাকলেও অনেক যোগ্য কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তিনি প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মানসম্মত বীজ আলু উৎপাদন ও সংরক্ষণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্পে নতুন কোল্ড স্টোরেজ ও পুরাতন কোল্ড স্টোরেজ সংস্কারের নামে ঠিকাদারদের সঙ্গে জোগসাজসে তিনি কয়েক কোটি টাকার সুবিধা নিয়েছেন। কমিশন নিয়ে নিজস্ব ঠিকাদার দিয়ে কাজ করিয়েছেন। বাস্তবে ক্রয় করা মালামাল ও সমাপ্ত কাজের বেহাল অবস্থা। অনেক হিমাগারের জন্য নিম্নমানের মেশিনারিজ কেনা হয়েছে।
নীলফামারীতে বিএডিসি প্রতিষ্ঠিত ডোমার আলুবীজ খামারে ভূমি উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হলেও বাস্তবে অতো টাকার মাটি ভরাট করা হয়নি। ঠিকাদারের সঙ্গে ভাগাভাগি করে বেশিরভাগ টাকা লোপাট করা হয়েছে। এছাড়া মহাব্যবস্থাপক (পাট বীজ) এবং মানসম্মত বীজ আলু উৎপাদন, সংরক্ষণ ও কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ প্রকল্পের পিডি মো. আবির হোসেনের বিরুদ্ধে নতুন কোল্ড স্টোরেজ ও পুরাতন কোল্ড স্টোরেজ সংস্কার করার নামে ঠিকাদারদের সঙ্গে আঁতাত করে অর্থ লোপাটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।






