লতিরাজ কচু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন রাজাহাটের এক যুবকের
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ
কৃষিই যেখানে প্রধান অবলম্বন, সেখানে আধুনিক চাষাবাদের মাধ্যমে পরিবর্তন সম্ভব—এমন বিশ্বাস থেকেই কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের এক যুবক শুরু করেছেন লতিরাজ কচু চাষ। নিজের ভাগ্য বদলের লক্ষ্যে এগিয়ে চলা এই তরুণ কৃষক এখন এলাকার মানুষের মধ্যেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠছেন।
নতুন পথে যাত্রা
ধারাবাহিক কৃষি ক্ষতির পর হাল না ছেড়ে তিনি নিরীক্ষাধর্মী চাষের দিকে ঝুঁকেছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARC) কর্তৃক উন্নত জাত হিসেবে পরিচিত ‘লতিরাজ কচু’ উচ্চফলনশীল ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন হওয়ায় তা বেছে নিয়েছেন তিনি। এই কচু যেমন দ্রুত বেড়ে ওঠে, তেমনি এর লতি ও কন্দ—উভয়ই বাজারে বিক্রয়যোগ্য।
আর্থিক সম্ভাবনা ও সফলতা
তিনি জানান, অল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে লাভজনক ফলন পাওয়া যাচ্ছে এই লতিরাজ কচু থেকে। ইতোমধ্যে স্থানীয় বাজারে চাহিদাও তৈরি হয়েছে। এলাকার কৃষক সমাজও তার এই সফল উদ্যোগ দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি দপ্তরের ভূমিকা
রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিকল্প ফসল চাষে সরকার কৃষকদের সহায়তা দিচ্ছে এবং লতিরাজ কচুর মতো অর্থকরী ফসল চাষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগ যুব সমাজের আত্মকর্মসংস্থান ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।





