বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
আজিজুল ইসলাম,খুলনা ।
বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির গর্ব নন, তিনি বাংলাদেশের জনগণের আশা ও অধিকার, মেহনতী মানুষের শক্তি এবং গণতান্ত্রিক চেতনার অবিচল নাম। তার নেতৃত্ব ও সংগ্রাম দেশের রাজনীতিতে এক অসাধারণ অধ্যায় হয়ে আছে। আজ আমরা বলতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির সম্পদ নয়, তিনি বাংলাদেশের জনগণের সম্পদ। তিনি আরও বলেন, বিএনপি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অটল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বীরপ্রতীক তারামন বিবির উপেক্ষিত রাষ্ট্রীয় সম্মান পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল বিএনপি সরকারের আমলে। মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার যে উদ্যোগ বিএনপি সরকার গ্রহণ করেছিল, বীরপ্রতীক তারামন বিবিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করাই ছিল তার অন্যতম দৃষ্টান্ত। এটি প্রমাণ করে, বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং দেশের ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা এবং জাতির সেবায় নিবেদিত শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। দেশনেত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধারা সর্বদা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই আমরা সকলে তার রোগমুক্তি, সুস্থতা ও দীর্ঘায়ুর জন্য সবাইকে একজোট হয়ে প্রার্থনা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি গতকাল ৯ ডিসেম্বর আসরবাদ পূর্ব রূপসা বাস স্টান্ডে রূপসা উপজেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন।
দোয়া মাহফিলে রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্যা সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা বিএনপির সদস্য শেখ আঃ রশিদ, আনিচুজ্জামান বিশ্বাস, আরিফুর রহমান, এম এ সালাম, নাজমুস সাকিব পিন্টু, আছাফুর রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য মোল্যা রিয়াজুল ইসলাম নৈহাটি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব দিদারুল ইসলামের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা কৃষকদল সভাপতি কবীর শেখ, সাধারন সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ,জেলা তাঁতিদলের সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম লোটাস, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বিকাশ মিত্র, যুগ্ম আহবায়ক রয়েল আজম, রবিউল ইসলাম রবি, হুমায়ুন কবীর, ইসমাইল হোসেন, ইলিয়াজ হোসেন, বিএনপি নেতা এসএম আঃ মালেক, মহিউদ্দীন মিন্টু, খান আনোয়ার হোসেন, আজিজুর রহমান, আনারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, জেলা যুবদল নেতা মমিমুর রহমান সাগর, ইয়ারুল ইসলাম রিপন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বনি আমিন সোহাগ,যুবদল নেতা শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মহিলাদল নেত্রী শাহানাজ ইসলাম, কৃষকদল নেতা শাহ আলম ভূইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আসাদুজ্জামান বিপ্লব, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রনেতা বাদশা জমাদ্দার, খান আলিম হাসান, সরদার শিহাব উদ্দীন, মোশাররফ শিকদার, আমিনুল ইসলাম তারেক, জাহিদুল ইসলাম রবি, মুক্তাদির বিল্লাহ, মাঈনুল হাসান,ফিরোজ মাহমুদ, আজিজুর রহমান, বশির হায়দার পল্টু, জহিরুল হক শারাদ, মাসুম বিল্লাহ, শাহজামান প্রিন্স, ইউনুচ গাজী, রাজু দাস, জান্নাতুন নাঈম, বাবুল শেখ, বাবু মোল্যা, রনি লস্কর, নাঈম আহম্মেদ, জাহিদুর রহমান, ফারুক শেখ, মনিশংকর, জিয়া,নাসির আহমেদ প্রমূখ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন খাজাবাবা জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা হাফিজুর রহমান।







